৩ ঘণ্টায় ৫ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৪ শতাংশ

Print Friendly, PDF & Email

আইন সমাজ ডেস্ক:

ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ৫টি ভোটকেন্দ্রের মোট ভোটার ১২ হাজার ৫৭০ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫০৬টি। ভোট পড়ার হার ৪.০২ শতাংশ।

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে একটি নারী এবং চারটি পুরুষ ভোটকেন্দ্র রয়েছে। ৩৮ নম্বর কেন্দ্রের মোট ভোটার ১৮৭৭ জন। এরমধ্যে ভোট পড়েছে ১৮টি। ভোট পড়ার হার ০. ৯৫ শতাংশ।

ওই কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ পারভেজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটি নারী ভোটকেন্দ্র। এখানে মোট ভোট ১৮৭৭ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৮টি। সকাল থেকে শতাধিক ভোটার এসেছিল। কিন্তু তারা এখানকার ভোটার না হওয়ার কারণে তাদের ভোট নিতে পারি নাই।’

একই কেন্দ্রের ৩২ নম্বর পুরুষ ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সাড়ে ৩ হাজার। এরমধ্যে ভোট পড়েছে ১২০টি। এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার শাহেদ উল আলম বলেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সাড়ে ৩ হাজার। এরমধ্যে ভোট কাস্ট হয়েছে ১২০টির মতো।
৩৮ নম্বর কেন্দ্রের মোট ভোটার ৩ হাজার ২৩৭টি। এরমধ্যে ভোট পড়েছে ২৪০টি।

এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মাহমুদুন নবী বলেন, ‘আমার এখানে মোট ভোটার ৩ হাজার ২৩৭। ৮টি বুথে গড়ে ৩০টির মতো কাস্ট হয়েছে। সেই হিসাবে ২৪০টি ভোট পড়েছে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।’

এই কেন্দ্রের আরেকটি কেন্দ্রের মোট ভোটার ১ হাজার ৯৯৮। এরমধ্যে ভোট পড়েছে ৭০টি। এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হামিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এখন পর্যন্ত ভোট কাস্ট হয়েছে ৭০টি।

কম ভোট পড়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কাজ হচ্ছে সুষ্ঠুভাবে ভোট আদায় করা। এখন পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে। আর কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রার্থীদের।’

কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ৪টি কক্ষের মধ্যে ৩টি বিএনপি প্রার্থীর এজেন্ট উপস্থিত রয়েছে। আর একটি কক্ষের এজেন্ট আসেনি।’

এই কেন্দ্রের ৩৬ নম্বর কেন্দ্রের ৪টি ভোটার কক্ষ রয়েছে। দুপুর ১২টায় প্রতিটি ভোট কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, প্রথম বুথে ৪৯০টি ভোটের মধ্যে ১৫টি, দ্বিতীয় কক্ষে ৪৮৮টি ভোটের মধ্যে ৭টি, তৃতীয় কক্ষের ৪৯০টি ভোটের ১৯টি এবং চতুর্থ কক্ষে ৪৯০টি ভোটের মধ্যে ১৭টি ভোট পড়েছে।
এই কেন্দ্রের দায়িত্বপাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারকে তার কক্ষে পাওয়া যায়নি।

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন রাসেল আহমেদ। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেওয়া সহজ। কিন্তু সমস্যা হয় আঙুলের চাপ দেওয়া নিয়ে। এখন পর্যন্ত কেন্দ্রের মধ্যে কোনও সমস্যা হয়নি।’

এর আগে এই কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পুরো নির্বাচনি এলাকায় ২৪টি ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।’
একই কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু বলেন, ‘ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *