বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ৬ জনের মৃত্যু

Print Friendly, PDF & Email

আইন সমাজ ডেস্ক:

বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনা ও উপসর্গে ছয়জন মারা গেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের লাশ প্রস্তুত ও জানাজা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল আইসোলেশন সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার শ্যামলীপাড়ার নগেন কুমার (৫৪) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ আগস্ট রাত ৮টায় ভর্তি হন। পরে রিপোর্টে তিনি করোনা পজিটিভ হন। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তিনি মারা গেছেন। বগুড়া শহরের বড়গোলা কাটনারপাড়ার হেদায়েতুল ইসলামের (৭৮) করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। তাকে গত ২৮ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। বুধবার সকালে তিনি মারা যান।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী (৭৮) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় ভর্তি হন। পরদিন তিনি করোনা পজিটিভ হন। বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে মারা গেছেন।

সূত্রটি আরও জানায়, বগুড়া শহরের লতিফপুর কলোনির জাবেদ আলীর (৩৮) করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার আগেই তিনি বুধবার সকালে মারা গেছেন। এছাড়া নাটোরের সিংড়া উপজেলার মানিকচাপড় গ্রামের গৃহবধূ রোকেয়া বেগমের (৪৫) শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। তাকে গত ৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা গেছেন। তার নমুনার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

বগুড়ার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানুল ইসলাম নির্ঝর জানান, বুধবার দুপুর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ১৩ নারী ও দুই শিশুসহ ৩৮ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত হলেন সাত হাজার ২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন পাঁচ হাজার ৯৯৯ জন এবং মারা গেছেন ১৬৩ জন। বর্তমানে হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮৬৭ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *